ঢাকাWednesday , 7 January 2026
মঙ্গলবার, ১৮ কার্তিক ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
  1. খেলা
  2. জাতীয়
  3. জেলা
  4. বিনোদন
  5. বিশেষ প্রতিবেদন
  6. ব্যবসা-বাণিজ্য
  7. রাজধানী
আজকের সর্বশেষ সবখবর

আদালতের রায় নিয়ে হঠাৎ মুখোমুখি বিএনপি ও জামায়াত

প্রতিবেদক
ডেস্ক রিপোর্ট
January 7, 2026 5:59 pm
Link Copied!

চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড) আসনে বিএনপির প্রার্থী মো. আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বহাল রাখতে ৩১ জানুয়ারির মধ্যে ১৩টি ব্যাংকে ৫০ কোটি টাকা প্রদান করতে হবে। খেলাপি পরিচয়ের ওপর স্থগিতাদেশ দিতে আদালত এমন শর্ত জুড়ে দিয়েছিল বলে জানান একই আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী আনোয়ার ছিদ্দিকী। তবে এমন কোনো শর্ত দেওয়ার কথা অস্বীকার করেছেন আসলাম চৌধুরী। তার মনোনয়নপত্র বাতিল করতে একটি পক্ষের ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে এ কাজটি করা হয়েছে বলে আজ বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে দাবি করেন। তবে এ বিষয়টি নির্বাচন কমিশনের নজরে আনতে জামায়াত সমর্থিত প্রার্থীর একটি অংশ তৎপর রয়েছে ঢাকাতে।
জানা গেছে, ঋণখেলাপি হিসেবে তালিকাভুক্ত না হতে আসলাম চৌধুরী হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন করেন। এ আবেদনে তিনি জামিনদার হওয়া ১ হাজার ৭০০ কোটি টাকা ঋণের দায় নিজের নয় বলে দাবি করেন। আদালত ১ ডিসেম্বর এটির ওপর রায় দেন। আদালতের ওই রায়ে বলা হয়- আবেদনকারীদের নাম বাংলাদেশ ব্যাংকের ক্রেডিট ইনফরমেশন ব্যুরো (সিআইবি) রিপোর্টে ডিফল্টার হিসেবে অন্তর্ভুক্তি আপাতত স্থগিত থাকবে। তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ৫০ কোটি টাকা পরিশোধ করে তার প্রমাণ হিসেবে শর্ত পালনের হলফনামা দাখিল করতে হবে। সময়সীমার মধ্যে অর্থ পরিশোধ করতে না পারলে আলাদা কোনো আদেশ ছাড়াই স্থগিতাদেশ স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে।
এ হিসেবে আসলাম চৌধুরীকে ১ হাজার ৭০০ কোটি টাকা ঋণের দুই শতাংশ অর্থাৎ, প্রায় ৫০ কোটি টাকা ৩১ জানুয়ারির মধ্যে দিতে হবে বলে দাবি করছেন জামায়াত সমর্থিত প্রার্থীর অনুসারীরা। আনোয়ার ছিদ্দিকী বলেন, ‘মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই কার্যক্রমের প্রথম দিনেই বিষয়টি আমরা নির্বাচন কমিশন ও রিটার্নিং কর্মকর্তাকে অবহিত করেছি।’
তবে টাকা দেওয়ার শর্তে কোনো রায় দেওয়া হয়নি বলে দাবি আসলাম চৌধুরীর। আজ বুধবার তার প্রেস উইং কর্মকর্তা আবু তাহের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড) আসনে বিএনপির প্রার্থী মোহাম্মদ আসলাম চৌধুরী হাইকোর্ট কর্তৃক আরোপিত শর্ত পূরণে ব্যর্থ হয়েছেন- এমন তথ্য সম্পূর্ণ ভুল, ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর, উদ্দেশ্য প্রণোদিত ও ষড়যন্ত্রমূলক বলে আমাদের কাছে প্রতীয়মান হয়েছে। প্রকৃতপক্ষে আদালত বা নির্বাচন কমিশন কোনো পক্ষই মনোনয়ন দেওয়ার বিষয়ে টাকা দেওয়ার কোন- শর্ত বা আদেশ প্রদান করেন নাই। মোহাম্মদ আসলাম চৌধুরী বাংলাদেশ ব্যাংকের সিআইবি রিপোর্টে তার নাম ঋণখেলাপি হিসাবে অন্তর্ভুক্ত না করার জন্য মহামান্য আদালতে রিট পিটিশন নং-২০১৩২/২০২৫ দায়ের করেন। আদালত রিট পিটিশন শুনানি শেষে সন্তুষ্ট হয়ে ঋণখেলাপি হিসাবে সিআইবি রিপোর্টে খেলাপি হিসাবে নাম প্রকাশের ওপরে ২ মাসের স্থগিতাদেশ প্রদান করেন। সেখানে কোথাও মনোনয়ন বা নির্বাচন-সংক্রান্ত কোনো বিষয় ছিল না। কিন্তু উদ্দেশ্য প্রণোদিত ও ষড়যন্ত্রমূলকভাবে বা কারও দ্বারা প্ররোচিত হয়ে একটি পক্ষ ভিত্তিহীন সংবাদ প্রচার করছে।