ঢাকাWednesday , 7 January 2026
মঙ্গলবার, ১৮ কার্তিক ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
  1. খেলা
  2. জাতীয়
  3. জেলা
  4. বিনোদন
  5. বিশেষ প্রতিবেদন
  6. ব্যবসা-বাণিজ্য
  7. রাজধানী
আজকের সর্বশেষ সবখবর

নওগাঁ-জয়পুরহাটে ৬.৭ ডিগ্রিতে নামল তাপমাত্রা

প্রতিবেদক
ডেস্ক রিপোর্ট
January 7, 2026 6:11 pm
Link Copied!

নওগাঁ ও জয়পুরহাট জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ। তাপমাত্রা নেমে এসেছে ৬ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে—যা চলতি মৌসুমে সর্বনিম্ন। হিমেল হাওয়া ও ঘন কুয়াশায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। পাশাপাশি বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি। সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন শিশু, বয়স্ক ও খেটে খাওয়া মানুষ। একই সঙ্গে কৃষি প্রধান এ অঞ্চলে ফসলের ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কাও দেখা দিয়েছে।

ঘন কুয়াশা ও উত্তরের হিমেল বাতাসে সকাল পর্যন্ত ঢাকা থাকছে চারপাশ। দিনের বেলাতেও অনেক সময় সূর্যের দেখা মিলছে না। কুয়াশার কারণে ছোট ও মাঝারি যানবাহনগুলোকে হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে।

তীব্র শীতে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে পড়েছে শিশু ও বয়স্করা। চিকিৎসকরা জানান, শীতজনিত কারণে জ্বর, সর্দি-কাশি, নিউমোনিয়া, শ্বাসকষ্ট ও হাঁপানির রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। বিশেষ করে বয়স্ক ও শিশুদের ক্ষেত্রে নিউমোনিয়ার ঝুঁকি বেশি দেখা দিচ্ছে। শীতের কারণে অনেক শিশু স্কুলে যেতে পারছে না, বয়স্করা ঘর থেকে বের হতে পারছেন না।

নওগাঁর বদলগাছী কৃষি ও আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার সকাল ৯টা পর্যন্ত জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৬ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আগের দিন তাপমাত্রা ছিল ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। মাত্র ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে তাপমাত্রা প্রায় সাড়ে চার ডিগ্রি কমে যাওয়ায় শীতের তীব্রতা বেড়েছে কয়েকগুণ।

শহরের চকবাড়িয়া এলাকার রিকশাচালক মজিদ বলেন, শীতে শরীর অবশ হয়ে আসে। মানুষ ঘর থেকে কম বের হওয়ায় আয় নেই। তবুও পরিবার চালাতে বাধ্য হয়ে রিকশা চালাচ্ছি।

দিনমজুর আব্দুল জলিল বলেন, ভোরে কাজে বের হতে পারছি না। শীতের কারণে কাজ কমে গেছে, সংসার চালানো খুব কষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা আশিকুর রহমান জানান, জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে এখন পর্যন্ত প্রায় ৩০ হাজার ৬০০ পিস কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। আরও প্রায় ১ লাখ ১০ হাজার পিস কম্বল বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে। শীতের তীব্রতা বাড়লে বিতরণ কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।